
২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করার পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দল এবার আন্তর্জাতিক বিরতিতে প্রস্তুতি ম্যাচে নামছে। কনমেবল অঞ্চলের বাছাইপর্ব শেষ হওয়ার পর মেসি–ওতামেন্দিরা এবার ইউরোপ নয়, যাচ্ছেন আফ্রিকা সফরে।

আরজেন্টিনা ফুটবল জাতীয় দল । সংগৃহীত
আর্জেন্টিনা সাম্প্রতিক দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে তারা একের পর এক বড় জয় তুলে নেয়। প্রথমে পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে ৬–০ গোলের দাপুটে জয় পায় লিওনেল মেসির দল। ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার দখল ছিল একচ্ছত্র—মেসি, আলভারেজ ও ডি মারিয়ার গোল উৎসবে পরিণত হয় ম্যাচটি। এরপর বাছাইপর্বে পেরুর বিপক্ষে ১–০ গোলে জয় পেয়ে দারুণ ধারাবাহিকতা বজায় রাখে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই দুই জয়ে আর্জেন্টিনা প্রমাণ করেছে, তাদের ফর্ম এখনও বিশ্বসেরাদের কাতারেই রয়ে গেছে।
আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে একটি ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। আগামী ১৪ নভেম্বর, রাজধানী লুয়ান্দার এস্তাদিও নাসিওনাল ১১ দে নভেম্ব্রো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায়।
এই ম্যাচ আয়োজনের জন্য অ্যাঙ্গোলা সরকার আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (এএফএ) দিচ্ছে প্রায় ১৭০ কোটি টাকা — যা ইতিহাসের অন্যতম বড় অঙ্কের প্রীতি ম্যাচ পারিশ্রমিক।
মূলত আর্জেন্টিনার সূচিতে শুরুতে দুটি ম্যাচ থাকার কথা ছিল। অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ভারতের কেরালা রাজ্যের কোচি বা তিরুবনন্তপুরমে ১৭ নভেম্বর আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা ছিল মেসিদের। সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে শোনা যাচ্ছিল মরক্কো, জাপান, কোস্টারিকা বা অস্ট্রেলিয়ার নাম।
আরও পড়ুনঃ
ব্রাজিলের খেলা কবে: সেনেগাল ও তিউনিসিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে আনচেলত্তির সেলেসাও
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জাতীয় দলে কিউবা মিচেল
তবে স্টেডিয়াম প্রস্তুতি, লজিস্টিক জটিলতা ও ফিফার অনুমোদন না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ভারত সফর বাতিল করেছে আর্জেন্টিনা। ফলে নভেম্বর মাসে শুধুমাত্র অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষেই মাঠে নামবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের কোনো টেলিভিশন চ্যানেল থেকে আর্জেন্টিনার এই ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে না, যা নিঃসন্দেহে স্থানীয় ফুটবলভক্তদের জন্য হতাশার খবর।