ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান
Ad Banner

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

  • প্রকাশিত হয়েছে: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৯ বার এই মুহূর্তে
ম্যাচ ও ত্রিদেশীয় সিরিজ সেরা মোহাম্মদ নওয়াজের উইকেট উদযাপন
ম্যাচ ও ত্রিদেশীয় সিরিজ সেরা মোহাম্মদ নওয়াজের উইকেট উদযাপন। ছবি: ক্রিকইনফো
                       

শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় পাকিস্তানের বোলাররা। ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে শুরু থেকেই দমিয়ে রাখে তারা। ফলে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালের বাকি অংশে পাকিস্তানের আর বেশি পরিশ্রমই করতে হয়নি। রাওয়ালপিন্ডিতে তিন জাতির টি-টোয়েন্টি সিরিজের শিরোপা লড়াইয়ে লঙ্কানদের ৬ উইকেটে হারিয়ে স্বচ্ছন্দেই ট্রফি তুলে নেয় সালমান আলি আগার দল।

ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা কখনওই ছন্দ খুঁজে পায়নি। মাঝে ৬৪ রানের একটি ভালো জুটি ছাড়া পুরো ইনিংসটাই ছিল এলোমেলো। পাকিস্তানের তীক্ষ্ণ বোলিং আক্রমণের সামনে লঙ্কানরা থামে মাত্র ১১৪ রানে। এই ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরস্থির ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী দেখায় পাকিস্তান। টপ অর্ডারের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে ৮ বল হাতে রেখেই জয় পায় তারা।

গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ফাইনালে উঠেছিল শ্রীলঙ্কা; কিন্তু শিরোপার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পুরোপুরি হারিয়ে যায় তারা।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় দলের নেতৃত্ব দেন বাবর আজম। বিশ্বের সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রানসংগ্রাহক বাবর ৩৪ বলে অপরাজিত ৩৭ রানে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। ওপেনিংয়ে সাহিবজাদা ফারহান ও সায়েম আইয়ুব যোগ করেন মূল্যবান ৪৬ রান। ফারহান ২২ বলে ২৩ রান করলেও, সায়েম ব্যাট করেন আরও সাবলীলভাবে—৩৩ বলে ৩৬ রানে ইনিংস গড়েন তিনি। অধিনায়ক আগার ব্যাট থেকেও আসে প্রয়োজনীয় ১৪ রান।


আরও পড়ুনঃ

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সামনে পাত্তাই পাচ্ছেনা


এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ রানে প্রথম উইকেট হারালেও মেন্ডিস ও কামিল মিশারা শ্রীলঙ্কাকে পথ দেখাতে শুরু করেছিলেন। তাদের ৬৪ রানের জুটিতে ম্যাচে ফিরতে চেয়েছিল লঙ্কানরা। কিন্তু মেন্ডিস (১৮ বলে ১৪) আউট হওয়ার পরই হঠাৎ ভেঙে পড়ে পুরো দল। সবচেয়ে বড় আশা মিশারা ৪৭ বলে ৫৯ রান করে ফিরতেই শ্রীলঙ্কা রীতিমতো ধসে যায়। শেষ ৩০ রান তুলতেই হারায় বাকি সব উইকেট।

পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ নেওয়াজ ছিলেন সর্বোচ্চ ধ্বংসাত্মক। দুজনই তিনটি করে উইকেট নেন। আবরার আহমেদ সহায়তা করেন দুই উইকেট নিয়ে।

, , , , , , , , , , , , ,

Share Your Thoughts

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

আরও পড়ুন এই ক্যাটেগরিতে