
আমরা সবাই দেখে থাকব ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কতটা ব্যবহার করে আইসিসিকে। তারা এটা গতকাল(বৃহস্পতিবার) ফুটবলেও ঘটাতে চেয়েছিল। যে নিয়ম কিনা ফিফার ধারার মধ্যেই নেই। সেটা গতকাল তারা বাস্তবায়ন করে নিতে চেয়েছিল। তবে শেষমেশ তারা সফল হয়নি। কারন এটা আইসিসি নয়,এটা হলো ফিফা।

বাংলাদেশ নারী ও ভারতীয় নারীদের সাফের ইতিহাসে প্রথমবারের মত যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে | ছবিঃ সংগৃহীত
গতকাল সাফ অনূর্ধ্ব ১৯ নারী বাংলাদেশ ও ভারত ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল। ভারত ৮ মিনিটে ১-০ গোলে এগিয়ে যেয়ে,ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।
পরে সংযুক্তি সময়ে ৯০+৩’ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরে। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী ছিলনা অতিরিক্ত সময়। তাই সরাসরি ট্রাইবেকারে ম্যাচ গড়ায়। সেখানে দুই দলের ১১ জন শট নিবার পরও আসেনি ফলাফল। ফিফা ও আইএফসির নিয়মানুযায়ী,এই পেনাল্টি শট চলতেই থাকবে। যতক্ষণ না কোনো ফলাফল পাওয়া যায়।
তবে সেখানে ভারতীয়দের জেতাতে রেফারিদের নীল নকশার প্রয়োগ দেখা যায়। যা ফুটবল ইতিহাসে কখনও ঘটেনি। তা হয়ে গেল গতকাল।
তারা পুনরায় ট্রাইবেকার শুরু না করে,তারা টস করবার সিদ্ধান্ত নেয়। যা নেই ফিফার কোনো নিয়মে। বাংলাদেশের মেয়েরা যেহুতু ছোট,তাই অনেকে ইংরেজি ভাষা ভালভাবে বুঝেনা। তাই যখন টস কার্যক্রম চলছিল,তারা ভেবে নিয়েছিল যে,কে এখন আগে শট নিবে তা চূড়ান্ত করা হবে।
কিন্তু দেখা গেল যে,টসে জিতে ভারতীয় নারীরা বুনো উল্লাস করছে। সেখানেই সবার সন্দেহ হয়।তারা তৎক্ষনাৎ রেফারিদের সাথে কথা বলে। তারপর ম্যাচ অফিসিয়াল ভারতীয় নারীদের উদযাপন থামায়। রেফারি ও ম্যাচ অফিসিয়ালের যখন এটা মনে পরে যে,এই নিয়ম ফিফার নিয়মেই নেই। তখন আবার খেলা চালিয়ে যাবার নির্দেশ দেয়।
এবার ভারতীয় নারীরা আর মাঠে আসবেনা। বাংলাদেশ নারীরা কিন্তু মাঠ ত্যাগ করেনি। ম্যাচ অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত দেয়,ভারতীয় নারীরা মাঠে না আসলে বাংলাদেশ নারী দল বিজয়ী ঘোষণা হবে।
এই ঘটনা গড়ায়,দুই দেশ(ভারত ও বাংলাদেশ) এর ক্রিয়া মন্ত্রী পর্যন্ত।পরিশেষে দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে,এই নাটকের সমাপ্তি ঘটে।