
আজ ক্লাব বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয় ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লুমিনেন্সে এবং সৌদি আরাবিয়ান ক্লাব আল হিলাল! লড়াই টা ছিলো লাতিন এবং এশিয়ার ২ পরাশক্তির ভেতর।
অফেন্সিভ ভাবে সলিড ৯ ম্যাচ অপরাজিত থাকা আল হিলাল খেলতে নামে ডিফেন্সিভ ভাবে রক এন্ড সলিড ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকা ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে।
একদিকে সিমন ইঞ্জাঘি আরেকদিকে গাউচো, টাচ লাইনে ও ছিল তুমুল উত্তেজনা – ইঞ্জাঘির
৩-১-৪-২ ফর্মেশন এর বিরুদ্ধে নিজের দলকে ৩-৫-২ এ খেলান গাউচো।
খেলার শুরু থেকেই ফ্লুমিনেন্সের উপরে আক্রমনাত্মক হতে থাকে আল হিলাল। আসর জুড়ে ফ্লুমিনেন্সের মিডফিল্ডারদের নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে, যার ভেতরে হারকিউলিস নিজের জাত চিনিয়েছেন আগেই, ইন্টার এর বিপক্ষে গোল করে। কিন্ত সবাই যার অপেক্ষায় ছিলেন সেই মারটিনেলি আজ নিজের ১০ম এবং এ সিজনের ৩ নম্বর গোল টি করলেন এবং এই ক্লাব আসরে নিজের গোলক্ষরা কাটালেন।
আজ হিলাল এর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম গোল দিয়ে সাবস্টিটিউট হয়ে ডাগ আউটে ফিরবার আগে অবশ্য একটি হলুদ কার্ড দেখায় পরবর্তী সেমিফাইনাল ম্যাচ খেলতে পারবেন না তিনি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ফ্লুমিনেন্সের ত্রান কর্তা হয়ে আসেন আসরজুড়ে তাদের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করা গোলকিপার ফাবিও। ওই সেভ টা না হলে হয়তো আজকের রেজাল্ট অন্যকিছু হতে পারত। ম্যাচের মোড় ঘুরতে থাকে দ্বিতীয় আর্ধের শুরুতে, যেখানে এ আসরে আল হিলাল এর হয়ে অসাধারণ পারফর্ম করা ব্রাজিলিয়ান বয় লিওনার্দর গোলে সমতায় ফিরে আল হিলাল। কিন্ত সে সুখ তাদের জন্য বেশিক্ষন সহায় হয়নি কারণ প্রথমার্ধের পর রেনাতো গাউচো তার তুরুপের তাস মারটিনেল্লি কে সাব করে মাঠে নামান আগের ম্যাচ জয়ের নায়ক হারকিউলিস কে।
শেষমেষ আবারো হারকিউলিস ঝড়ে ইন্টার মিলান এর মতই বিপর্যস্ত মরুভূমির ক্লাব আল হিলাল! যেখানে সেমিফাইনাল এ প্রথম দল হিসেবে পা রাখলো ফ্লুমিনেন্সে তেমনি ৭০ মিনিট এ হারকিউলিস এর গোলে বিদায় আরাবিয়ান ক্লাব আল হিলাল এর যারা চমক দিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটির মতো টিম কে হারিয়ে।
শুভকামনা ফ্লুমিনেন্সের জন্য। অভিনন্দন রেনাতো গাউচো ও তার শীষ্যদের, যারা এত সুন্দর ডিফেন্সিভ ফুটবল উপহার দিয়ে যাচ্ছেন সবাইকে।
লিখেছনঃ তানজিম আলভী