
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চেলসি–বার্সেলোনার লড়াই মানেই আলাদা উত্তাপ। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে নেমে কাতালানদের বুঝিয়ে দিল চেলসি—এ মাঠে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। দুর্দান্ত লড়াইয়ে ঘরের দল ৩-০ গোলে হারাল বার্সাকে।
চেলসি শুরু থেকেই মাঠে নামে পরিচিত ৪-২-৩-১ ফরমেশনে। বিপরীতে ফ্লিক তার দলকে সাজান ৪-৩-৩ সেটআপে। আক্রমণে লেভানডফস্কি আর ইয়ামাল থাকায় বার্সা সমর্থকদের মুখে ছিল স্বস্তি, তবে খেলা শুরু হতেই চিত্র পাল্টে যায়।
মাত্র তিন মিনিটে গোল করে এগিয়ে যেতে পারতো চেলসি। এনজো ফার্নান্দেজ বল জালে পাঠালেও ভিএআর হ্যান্ডবল শনাক্ত করায় গোল বাতিল হয়। কিন্তু সেই মুহূর্ত থেকেই বার্সার ওপর চাপ বাড়াতে থাকে স্বাগতিকরা।
২২ মিনিটে আবারও এনজোর শট জালে জড়ায়, এবারও রেফারি অফসাইডের কারণে গোলটি নাকচ করেন। কিন্তু চার মিনিট পরে বার্সা ডিফেন্ডার জুলস কুন্দের ভুলের সুযোগ নিয়ে অবশেষে লিড পেয়ে যায় চেলসি।
গোল খাওয়ার পর ছন্দ হারিয়ে ফেলে কাতালানরা। ৪৩ মিনিটে কুকুরেল্লাকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন রোনাল্দ আরাউহো। ফলে বাকিটা সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় বার্সাকে।
আরও পড়ুনঃ
২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: দেখুন পুরো সময়সূচি ও ভেন্যু
জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রচারণায় খেলোয়াড়দের ব্যবহার নিষিদ্ধ
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও নাটক থামেনি। ৫০ মিনিটে আন্দ্রে সান্তসের গোলটি আবারও অফসাইডে বাতিল হয়। তবে চার মিনিট পর এস্তেভাওয়ের দুর্দান্ত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে চেলসি। ইয়ামালের সামনে থেকেও লাইমলাইট কেড়ে নেন ব্রাজিলিয়ান এই তরুণ তারকা। কমেন্ট্রিতে প্রশংসা—“এস্তেভাও! ইজ আ শাইনিং স্টার!”
৭২ মিনিটে চেলসির আরেকটি গোল প্রথমে অফসাইড ধরা পড়লেও ভিএআর যাচাইয়ে সিদ্ধান্ত বদলায়। লিয়াম ডিলাপের গোলে ৩-০ ব্যবধান নিশ্চিত হয়। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চেলসি।