
এশিয়ার নারী ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতা “নারী এশিয়ান কাপ ২০২৬” এর জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে ১২টি দল। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো এই প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে।

২০২৬ নারী এশিয়া কাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহন করবে প্রথমবারের মত | ছবিঃ সংগৃহীত
এই প্রতিযোগিতার আয়োজক দেশ অস্ট্রেলিয়া, ফলে তারা সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে। বাকি দলগুলো বাছাই পর্ব পেরিয়ে জায়গা করে নিয়েছে আসরের মূলপর্বে।
আরো পড়ুনঃ ফিফার সেরা একাদশ ২০২৫: পালমার, বুনো, এনজো সহ বিশ্বসেরা ১১
বাংলাদেশ নারী দল এই প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূলপর্বে জায়গা করে নিয়েছে, যা দেশের নারী ফুটবলের জন্য এক বিশাল অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, প্রশিক্ষণ এবং তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের উত্থান। বিশেষ করে সাবিনা খাতুন, মারিয়া মান্ডা, ঋতুপর্ণা চাকমা, এবং শামসুন্নাহার জুনিয়রদের মতো খেলোয়াড়রা নিজেদের নৈপুণ্যে নজর কেড়েছেন।
নারী এশিয়ান কাপ শুধু এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লড়াই নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। এখান থেকে সম্ভাব্যভাবে ফিফা নারী বিশ্বকাপ ২০২৭-এর কোয়ালিফাই করার সুযোগও রয়েছে।
বাংলাদেশের এই অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন আশা ও অনুপ্রেরণা তৈরি করেছে। নারী ফুটবলের এমন ঐতিহাসিক সাফল্যে পুরো জাতি গর্বিত। সামনে এশিয়ান কাপে ভালো পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে বিশ্বমঞ্চেও জায়গা করে নেবে বাংলাদেশ—এটাই এখন কোটি ফুটবলপ্রেমীর প্রত্যাশা। আগামী ২৯ জুলাই গ্রুপ পর্বে কে কোন গ্রুপে থাকবে,তার জন্য ড্র অনুষ্ঠিত হবে।