ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বনাম বায়ার্ন মিউনিখ নিয়ে আলোচনা
Ad Banner

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বনাম বায়ার্ন মিউনিখ নিয়ে আলোচনা

  • প্রকাশিত হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৫৯ বার এই মুহূর্তে
ছবিঃ(বিডিস্পোর্টসনাও)
                       

ছবি:(ফেসবুক)

ছবি:(ফেসবুক)

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৩-৪ বায়ার্ন মিউনিখ।

 

ম্যানচেস্টার স্কোয়াডের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিলো টিমের ৯ জন মেইন প্লেয়ারের ইঞ্জুরি এবং অ্যান্টনি আর জেডন সাঞ্চোর অনুপস্থিতি।

 

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড শুরুতেই অ্যাটাকের মাধ্যমে ম্যাচ শুরু করলেও পর পর দুটি গোল দেয় বায়ার্ন মিখনিখ।

 

২৮ মিনিটে  হ্যারি কেইনের এ্যাসিস্টে গোল করেন লেরয় সানে।

 

এরপরই আবার ৪ মিনিটের ব্যবধানে ৩২ মিনিটে জামাল মুসিয়ালার এ্যাসিস্টে গোল করেন সার্জ নাব্রি।

 

প্রথম আর্ধেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পিছিয়ে পরে।

 

কিন্তু দ্বিতীয় আর্ধের শুরুতেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন প্লেয়ার রাসমুস হয়ল্যান্ড ৪৯ মিনিটে একটি অসাধারণ গোল করেন এবং গোলটির এ্যাসিস্ট করেন মার্কাস রাশফোর্ড।।

 

খেলা তখন ২-১ স্কোরে ছিলো। হঠাৎ, বায়ার্ন মিউনিখের সেন্টার ব্যাক উপামেকানোর হেড দেওয়া বল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ক্রিশ্চিয়ান এরিকসন এর হাতে লাগে এবং VAR চেকিং এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে এটি একটি হ্যান্ড-বল ছিলো, বায়ার্ন মিউনিখ একটি পেনাল্টি পেয়ে যায়।

 

ছবিঃ(ফেসবুক)

অতঃপর ৫৩ মিনিটে পেনাল্টিতে গোল করেন হ্যারি কেইন এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৩-১ গোলে পিছিয়ে পরে।

 

৬২ মিনিটের মাথায় লিসান্দ্রো মার্টিনেজ হ্যারি কেইনকে  ধাক্কা দেওয়ায় লিওন গোরেৎজকার সাথে তার হাতাহাতি হয় এবং দু’জনকেই হলুদ কার্ড দেখানো হয়।।

ছবি :(ফেসবুক)

এরপর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ক্যাসেমিরো ৮৮ মিনিটে একটি গোল করেন, যার এ্যাসিস্ট করেছিলো অ্যান্টনি মার্শিয়াল। বায়ার্ন মিউনিখ তখনও ৩-২ এগিয়ে থাকে!

 

অতিরিক্ত সময়ে ৯০+২ মিনিটে বায়ার্ন মিউনিখের ম্যাথিস টেল একটি গোল করে, যার এ্যাসিস্ট করেছিলো জোসুয়া কিমিখ।

 

এরপর, ২ মিনিটের ব্যবধানেই ৯০+৫ মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেএ হয়ে আবারো একটি গোল করেন ক্যাসেমিরো, যার এ্যাসিস্ট করেছিলেন ক্যাপ্টেন ব্রুনো ফার্নান্দেস।

 

ম্যাচটি ৪-৩ গোলে হেরে যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিন্তু ম্যাচটি খুবই আকর্ষণীয় ছিলো।

 

ছবি :(ফেসবুক)

আন্দ্রে ওনানা বলেন : আমি ম্যান ইউনাইটেড ফ্যানদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। কারণ আমার কারনেই দল হেরেছে, এই হারার পিছনে আমি-ই দায়ী। এই হার থেকে আমার শিক্ষা নিতে হবে।

 

বায়ার্নের, “উলরাইখের” মতো কিপারকে দিয়ে যে বিগ ম্যাচে হবে না সেটা আবার ও পরিষ্কার হয়ে গেছে।

 

এই ম্যাচেই রাসমুস হয়ল্যান্ড ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে প্রথম গোল করেছে।

 

আবার বায়ার্ন মিউনিখের ইয়াংস্টার ম্যাথিস টেল, ৩৩ ম্যাচ খেলে ৮ টি গোল করেছে।।

 

পুরো ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৯টি অন টার্গেট শট সহ ১৯টি শট করেছে মিউনিখ।

 

বায়ার্নমিউনিখকে ৪টি অন টার্গেট শট সহ ৯ শট করেছে ইউনাইটেড ।

 

বায়ার্ন মিউনিখ এখন তাদের শেষ ৩৫টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের খেলায় অপরাজিত, ৩৫টি ম্যাচে ৩২ টি জয় ৩ টি ড্র।

এই ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পরাজিত হয়েছে কিন্তু দেখা যাক, ওল্ড ট্রাফোর্ডে এই দুই দল কি করে।

, ,

Share Your Thoughts

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

আরও পড়ুন এই ক্যাটেগরিতে