
মিরপুর টেস্টের শেষ দিনে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল আয়ারল্যান্ডের মাত্র ৪ উইকেট। যেখানে সিলেট টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছিল। আজ তাই ঢাকা টেস্টে জিতে বাংলাদেশ টেস্টে আইরিশদের করল হোয়াইট ওয়াশ।
এইদিন ধারনা করা হয়েছিল বাংলাদেশ হয়ত প্রথম সেশনেই আইরিশদের গুরিয়ে দিবে। তবে তেমনটা হয়নি। আইরিশরা সেই বাধা টপকে প্রথম সেশনে ৩৯ ওভার খেলে ২ উইকেট বাচিয়ে রাখে। প্রথম সেশনে আয়ারল্যান্ড অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ও জর্ডান নেইলকে হারায়। আইরিশদের ব্যাটিংয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছিল কার্টিস ক্যামফার। এই ব্যাটার এই দিন ২৫৯ বল খেলে ৭১ রান করে অপরাজিত থাকেন। তবে আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৩তম ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে হাসান মুরাদের জোড়া আঘাতে আয়ারল্যান্ড নিজেদের শেষ দুই উইকেটও খুইয়ে ফেলে। সেখানে হাসান মুরাদের শিকার ছিল গেভিন হোই (৩৭) ও মেথুই হেম্প
আরও পড়ুনঃ
দুবাই ক্যাপিটালস ফের দলে ভেড়ালো মুস্তাফিজকে
ফুটবলে বাংলাদেশের শীর্ষ গোলদাতা কারা? (২০২৬)
গর্ডন গ্রিনিজ থেকে গ্রায়েম স্মিথ-মুশফিকের নাম এবার কিংবদন্তিদের পাশে
এর আগে টসে জিতে বাংলাদেশ ব্যাটিং বেছে নেয়। মুশফিকের শততম টেস্টে মুশফিক শতক হাকান। সেই সাথে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে দল পায় ৪৭৬ রানের লিড অলআউট হয়ে। তার জবাবে আয়ারল্যান্ড ২৮৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। বাংলাদেশ পায় ১৯১ রানের লিড। আয়ারল্যান্ড ফলো-অন এড়ালেও বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯৭ রান করে ৪ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ঘোষণা দেয়। যার ফলে আয়ারল্যান্ডের ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের দেওয়া ৫০৯ রানের বিশাল পাহাড় টপকাতে হত। কিন্তু সেখানে আয়ারল্যান্ড লড়াই করেও ২৯১ রানে অলআউট হয়ে যায়। যার ফলে বাংলাদেশ এই ম্যাচটি ২১৭ রানে জিতে নেয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড —
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪৭৬/১০ রান (১৪১.১ ওভার)
আয়ারল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৮৫/১০ রান (৮৮.৩ ওভার)
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ২৯৭/৪ (ডি) রান (৬৯ ওভার)
আয়ারল্যান্ড ২য় ইনিংস: ২৯১/১০ রান (১১৩.৩ ওভার)
ফলাফলঃ বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জয়।