
অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো স্বাগতিকরা। ভারত যে বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে যাবার যাত্রায় যে ফেবারিট দল,তা আরও একবার প্রমাণ করলো। ২ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারালেও বিরাট ও রাহুলের ঠান্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে ভারত বড় উইকেটে জয় পায়।

বিরাট-রাহুলের ব্যাটে ভারতের স্বস্তির জয় | ছবিঃ এক্স
ভারতের চেন্নাইতে টসে জিতে অস্ট্রেলিয়া স্বাগতিকদের বোলিংয়ে আমন্ত্রণ জানায়। সেখানেই মূলত তাদের সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে কাল হয়ে দাড়ায়। অস্ট্রেলিয়াকে ২০০ রানের আগেই আটকে দেয় ভারত।
অস্ট্রেলিয়া ১৯৯ রান করতে সক্ষম হয় সব উইকেট হারিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে কেউ পেরুতে পারেনি হাফ সেঞ্চুরি ও। ওয়ার্নারের ৫২ বলে ৪১,স্টিভেন স্মিথের ৭১ বলে ৪৬ ছাড়া আর তেমন অবদান রাখতে পারেনি কেউ।
ভারতীয় বোলাররা ছিলেন আজ চমৎকার। বা হাতি স্পিনার রবিন্দ্র জাদেজা নিয়েছেন ৩টি উইকেট,২ উইকেট করে নিয়েছেন বুমরাহ ও কুলদীপ। তাছাড়া বাকিরাও ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন। এককথায় বলতে গেলে,অসি ব্যাটারদের দাপট দেখিয়েছে ভারতীয় বোলাররা।
৩০০ বলে ২০০ রানের সহজ লক্ষ্য তারা করতে এসে ভারতের প্রথম ২ ওভারে নাই ৩ উইকেট। রহিত শর্মা,ঈসান কিশান ও শ্রেয়াস আইয়ার তিনজনই ফিরেছেন শূন্য রান করে। সেই খাদের কিনারা থেকে তুলে আনেন বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুল। সেখান থেকে দুজন মিলে ১৬৫ রানের জুটি করেন। যখন বিরাট কোহলি আউট হন,তখন ভারতের ম্যাচ নিজেদের হাতের মুঠোয়। বিরাট কোহলি ৮৫(১১৬) রান করে আউট হন। লোকেশ রাহুল দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। তিনি ছিলেন ৯৭*(১১৫) রান করে অপারাজিত।
অবশ্য অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটা নিজেরাই ভারতকে উপহার দিয়েছে। কারনটা হলো বিরাট কোহলি যখন ব্যাক্তিগত ১২ রানে ছিল। তখন তিনি পুল শট খেলতে গিয়ে বল হাওয়ায় তুলে দেন। সেই সহজ ক্যাচটা নিতে পারেনি মিচেল মার্শ। তিনি যদি নিজে উদ্দ্যেগ না নিয়ে উইকেট রোক্ষক এলেক্স ক্যারিকে ক্যাচটা নিতে দিতেন,তাহলে ঘটনাটা ভিন্নও হতে পারত। যাই হোক,ভারতের ভাগ্য এবং খেলার স্প্রিট দুটোই সাথে ছিল।